পাকিস্তানে খনিজ তেলের বিশাল ভান্ডার নিয়ে দেশটির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে বলে ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ স্যোশালে’ দেওয়া এক পোস্টে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, ওয়াশিংটন এবং ইসলামাবাদের মধ্যে একটি চুক্তি হয়েছে, যার অধীনে দুই দেশ পাকিস্তানের খনিজ তেলের বড় ভান্ডার ের উন্নয়নের জন্য একসঙ্গে কাজ করবে।
আন্তর্জাতিক
পাকিস্তানে তেলের বিশাল ভান্ডার আদৌ কি আছে?
dhaka-post
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
২ আগস্ট ২০২৫, ২১:১১
পাকিস্তানে তেলের বিশাল ভান্ডার আদৌ কি আছে?
পাকিস্তানে খনিজ তেলের বিশাল ভান্ডার নিয়ে দেশটির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে বলে ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ স্যোশালে’ দেওয়া এক পোস্টে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, ওয়াশিংটন এবং ইসলামাবাদের মধ্যে একটি চুক্তি হয়েছে, যার অধীনে দুই দেশ পাকিস্তানের খনিজ তেলের বড় ভান্ডার ের উন্নয়নের জন্য একসঙ্গে কাজ করবে।
বিজ্ঞাপন
তিনি বলেছেন, যে সব সংস্থা এই সহযোগিতায় কাজ করবে, আমরা এখন তাদের বেছে নেওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছি। কে জানে, হয়তো একদিন তারা ভারতের কাছে তেল বিক্রি করবে!
এই বিবৃতি এমন এক সময়ে সামনে এল যখন পাকিস্তানে তেল এবং গ্যাসের উৎপাদন গত কয়েক বছর ধরে লাগাতার কমেছে। এ কারণে স্থানীয় চাহিদা মেটাতে বিদেশ থেকে তেল ও গ্যাস কিনতে হচ্ছে পাকিস্তানকে। দেশটির পেট্রোলিয়াম ইনফরমেশন সার্ভিসেসে তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক মাসে খনিজ তেলের স্থানীয় উৎপাদন ১১ শতাংশ কমে গেছে।
আন্তর্জাতিক
পাকিস্তানে তেলের বিশাল ভান্ডার আদৌ কি আছে?
dhaka-post
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
২ আগস্ট ২০২৫, ২১:১১
পাকিস্তানে তেলের বিশাল ভান্ডার আদৌ কি আছে?
পাকিস্তানে খনিজ তেলের বিশাল ভান্ডার নিয়ে দেশটির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে বলে ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ স্যোশালে’ দেওয়া এক পোস্টে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, ওয়াশিংটন এবং ইসলামাবাদের মধ্যে একটি চুক্তি হয়েছে, যার অধীনে দুই দেশ পাকিস্তানের খনিজ তেলের বড় ভান্ডার ের উন্নয়নের জন্য একসঙ্গে কাজ করবে।
বিজ্ঞাপন
তিনি বলেছেন, যে সব সংস্থা এই সহযোগিতায় কাজ করবে, আমরা এখন তাদের বেছে নেওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছি। কে জানে, হয়তো একদিন তারা ভারতের কাছে তেল বিক্রি করবে!
এই বিবৃতি এমন এক সময়ে সামনে এল যখন পাকিস্তানে তেল এবং গ্যাসের উৎপাদন গত কয়েক বছর ধরে লাগাতার কমেছে। এ কারণে স্থানীয় চাহিদা মেটাতে বিদেশ থেকে তেল ও গ্যাস কিনতে হচ্ছে পাকিস্তানকে। দেশটির পেট্রোলিয়াম ইনফরমেশন সার্ভিসেসে তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক মাসে খনিজ তেলের স্থানীয় উৎপাদন ১১ শতাংশ কমে গেছে।
বিজ্ঞাপন
একই সময়ে পাকিস্তানে তেল এবং গ্যাসের বড় খনিগুলোতে কম উৎপাদন হয়েছে। এসব খনির মধ্যে কাদিয়ারপুর, সুই, উচ এবং মোরির মতো বড় খনিতে তো আছেই, অন্যান্য ছোটখাটো খনিতেও উৎপাদন কম হয়েছে। পাকিস্তানে যেসব বড় সংস্থা তেল এবং গ্যাসের সন্ধান চালায় এবং উত্তোলন করে, তাদেরও স্থানীয় উৎপাদন কমেছে।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই বিবৃতি প্রকাশিত হওয়ার পর বহু মানুষ প্রশ্ন করছেন, তেলের যে বড় মজুতের কথা বলা হচ্ছে, সেটা আসলে কোথায় আছে? এই প্রশ্নও উঠছে, পাকিস্তানের কোন অঞ্চলে তেলের সন্ধান চালানো হচ্ছে? এই খাতে আমেরিকার সঙ্গে চুক্তির ঘোষণা কি পাকিস্তানে চীনের বিনিয়োগের ওপরে কোনও প্রভাব ফেলবে?