যারা আজকে সুসংবাদ দিচ্ছেন, তারা কেউ বলছেন না, এনডিএ [নন ডিসক্লোজার অ্যাগ্রিমেন্ট] তথা একটা গোপনীয়তার আওতায় সমঝোতা হলো।বাংলাদেশের জনগণ কিন্তু জানতে পারল না, কী কী শর্তে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যকে শুল্ক ছাড় দিল। যুক্তরাষ্ট্র নিশ্চিতভাবেই তার সকল চাওয়া পেয়েই শুল্ক কমিয়েছে।
সকাল সকাল সবাই সুসংবাদ দিলেন, রপ্তানি পণ্যে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের জন্য শুল্ক হার ৩৫ ভাগ থেকে ২০ ভাগ করেছে।
ভালো খবর নিঃসন্দেহে।
কিন্তু এর বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্রকে বাংলাদেশ কী কী সুবিধা দিচ্ছে সেটা কেউ বলছেন না বিস্তারিত। সেটাও কিন্তু বিশেষভাবে জানা দরকার সকলের। মুদ্রার দুই দিকই দেখা দরকার নয় কি?
সব কিছুর জন্য নাগরিকদের মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকা দরকার কিন্তু।
যারা আজকে সুসংবাদ দিচ্ছেন, তারা কেউ বলছেন না, এনডিএ [নন ডিসক্লোজার অ্যাগ্রিমেন্ট] তথা একটা গোপনীয়তার আওতায় সমঝোতা হলো
বাংলাদেশের জনগণ কিন্তু জানতে পারল না, কী কী শর্তে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যকে শুল্ক ছাড় দিল। যুক্তরাষ্ট্র নিশ্চিতভাবেই তার সকল চাওয়া পেয়েই শুল্ক কমিয়েছে।
অন্যদিকে, বাংলাদেশ যে-সব ছাড় দিয়ে এসেছে সেসব নিশ্চয়ই এখানকার অর্থনীতিকে ও জনজীবনকে প্রভাবিত করবে আগামী দিনগুলোতে। সেসব সামাল দিতে হবে ভবিষ্যতের নির্বাচিত সরকারকে—তথা জনগণকেই। সেসব ছাড়ের কোনো খারাপ প্রতিক্রিয়া হলে নির্বাচিত সরকার কিন্তু বলবে, এতে আমাদের দায় নেই, ‘চুক্তি স্বাক্ষর’ করে এসেছে আগের সরকার।
নির্বাচিত সরকারের সেরকম বক্তব্যের বিপরীতে জনগণের তখন কী করার থাকবে?
তার মানে দাঁড়াচ্ছে, জাতীয় নীতিনির্ধারণে আগে-পরে জনতার অসহায়ত্বই চলছে।