পৃথিবীর অনেক প্রাণীরই চোখে দেখা যায় এমন আলো নির্গত করার সক্ষমতা রয়েছে। তবে মানুষের বেলায় সাধারণত এমন কিছু বিবেচনা করা হয় না।
এখন বিজ্ঞানীরা বলছেন, এমন ধারণা পুরোপুরি ঠিক নয়। ১৯২৩ সাল থেকে শুরু করে বেশ কয়েকটি গবেষণায় উঠে এসেছে, মানুষ এমন কিছু আলো বিকিরণ করে যেগুলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য আসলে দৃশ্যমান হলেও এতটাই দুর্বল যে তা খালি চোখে দেখা যায় না। গর্ভধারণের মুহূর্ত থেকে শুরু করে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষ সত্যিই এক ধরনের আলো ছড়ায়।
নিঃসন্দেহে এটি বিতর্কিত এক বিষয়। তবে এ নির্গত আলোকে ‘বায়োফোটন’ বলা হচ্ছে, যা শনাক্ত করতে পারলে মানুষের শরীরের ভেতরে কী ঘটছে সে সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানা যেতে পারে বলে প্রতিবেদনে লিখেছে বিজ্ঞানভিত্তিক সাইট সায়েন্স অ্যালার্ট।