চলমান চিকিৎসারত বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া বর্তমানে তার সবচেয়ে সংকটময় সময় অতিক্রম করছেন বলে জানিয়েছেন তার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সদস্য ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
ডা. জাহিদ হোসেন সোমবার দিবাগত মধ্যরাত ২টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের বাইরে ব্রিফিংকালে বলেন, “আমি গত কয়েকদিনে জানিয়েছি, উনি তার সবচেয়ে সংকটময় সময় অতিক্রম করছেন। এই সময়কাল কতটুকু দীর্ঘ হবে তা সময়ই বলবে।”
তিনি জানান, ২৩ নভেম্বর থেকে খালেদা জিয়া এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। চিকিৎসার এই সময়ে তার ছেলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, নাতি আরাফাত রহমান কোকো, নাতির সহধর্মিণী সৈয়দা শামিলা রহমান, খালেদা জিয়ার ছোট ভাই ও বড় বোনসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্য হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন।
ডা. জাহিদ হোসেন জানান, খালেদা জিয়ার চিকিৎসা তদারকি করছেন দেশের বিশিষ্ট চিকিৎসকরা। মেডিকেল বোর্ডে রয়েছেন ডা. শাহাবুদ্দিন তালুকদার, প্রফেসর ডা. এফএম সিদ্দিকী, প্রফেসর ডা. নুরুদ্দিন আহমেদ, প্রফেসর ডা. জিয়াউল হক, প্রফেসর ডা. ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাইফুল ইসলাম, এজেডএম সালেহ, ডা. জাফর ইকবাল, ডা. মাসুম কামাল, প্রফেসর কেএম মহসিন ও প্রফেসর কেএম রেজা।
দেশের বাইরে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রফেসর ডা. পেট্রিক টেনেরি, প্রফেসর ডা. জেনিফার ক্রস, প্রফেসর ডা. রিচার্ড, ডা. মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, ডা. রফিকউদ্দিন আহমেদ, জন হ্যামিল্টন ও হামিদ রব ভার্চুয়ালি পরামর্শ দিচ্ছেন।
ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, “সোমবার সকালে মেডিকেল বোর্ড বৈঠক করেছে। এই অবস্থায় উনি অত্যন্ত সংকটময় সময় অতিক্রম করছেন। তাই পরিবারের পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে তার সুস্থতার জন্য দোয়া করার আহ্বান জানাচ্ছি।”
এর আগে সোমবার রাত ১০টা ১০ মিনিটে খালেদা জিয়াকে দেখতে হাসপাতালে যান তার ছেলে তারেক রহমানসহ পরিবারের সদস্যরা। একই দিনে সকালে, বিকেলে ও রাতে হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন খালেদা জিয়ার বড় বোন সেলিনা ইসলাম, ছোট ভাই শামীম এস্কান্দার, তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমান ও আরাফাত রহমান কোকোর মেয়ে জাহিয়া রহমান। রাত ১০টা ২৩ মিনিটে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও হাসপাতালে যান।
খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য সমস্যার মধ্যে ডায়াবেটিস, কিডনি, হৃদয় ও ফুসফুসের সমস্যা উল্লেখযোগ্য। নিয়মিত চিকিৎসা ও শারীরিক পরীক্ষা–নিরীক্ষা করা হচ্ছে। বিদেশে চিকিৎসার পরিকল্পনা থাকলেও শারীরিক অবস্থার কারণে